বাধীনতা দিবসে শ্রীপুরে আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জমি দখল!
Advertisements

স্বাধীনতা দিবসে আপন চাচা কর্তৃক ভাতিজার জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ভুক্তভোগী জহিরুল ইসলাম গাজীপুর আদালতে মামলা করলে আদালত থেকে ১৪৫ ধারা জারি হয়। নোটিশকে কেন্দ্র করে শ্রীপুর থানা পুলিশ নির্মাণ কাজ না করার জন্য অনুরোধ করেন। পরে অভিযুক্ত রানা আহমেদ আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে নির্মাণ কাজ অব্যাহত রেখেছেন। পুলিশ বলছেন, নিষেধাজ্ঞা না মানলে আদালত অবমাননার প্রতিবেদন জমা দিবো।

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার টেপিরবাড়ী গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে পাকা বাড়ি নির্মাণ করছে অভিযুক্ত রানা আহমেদ। শনিবার (২৬ মার্চ) সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রায় ১০টি ইটের পাকা বাড়ির নির্মাণ কাজ চলছে। ওই জমির চারপাশের পরিস্থিতি সিসি ক্যামেরা দ্বারা নিয়ন্ত্রণ করেছেন তিনি।নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে বাড়ি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে টেপিরবাড়ী এলাকার মুক্তাদির হোসেনের ছেলে রানা আহামেদ (৪২)।

এ বিষয়ে শহীদুল্লাহ আকন্দের ছেলে মোঃ জহিরুল ইসলাম বলেন, আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে জোরপূর্বক বাড়ি নির্মাণ করে বেদখল করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে চাচা রানা আহমেদ। আমার দাদা ১৯৮৭ সালে তাঁর সকল জমিজমা বিক্রি করে শেষ করে দিয়েছেন। আমার দাদীর কাছ থেকে ২০১৩ সালে স্থানীয় মাপে ৫গন্ডা জমি ক্রয় করে অদ্যবধি পর্যন্ত খাজনা-খারিজ সম্পূর্ণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখলে ছিলাম। সম্প্রতি অসৎ উপায়ে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে আমার জমি বেদখল করার চেষ্টা চালিয়ে ইতিমধ্যে পাকা বাড়ি নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালত গাজীপুর ১৪৫ ধারা জারি করেছে। বিরোধ মীমাংসা না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকে শান্তিপূর্ণ ভাবে থাকার জন্য বলা হলেও রানা নির্মানের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

এসব অভিযোগ প্রসঙ্গে রানা আহমেদ বলেন, আমার পিতার কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করে আমার টাকা পয়সা নষ্ট করছে।

শ্রীপুর থানার এসআই তারিক হাসান বলেন, আদালতের নির্দেশে বিরোধপূর্ণ জমিতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য উভয় পক্ষকে অনুরোধ করে এসেছি। কিন্তু শুনেছি রানা ওই জমিতে কাজ শুরু করেছে, আমি আবার গিয়ে কাজ বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করবো, যদি আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাহলে এ ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে আমি প্রতিবেদন জমা দিবো।

শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ বিষয়ে একজন এসআইকে দায়িত্ব দেওয়া আছে। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Advertisements