মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে যখন উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই হঠাৎ করে কানাডায় চলমান জি-৭ সম্মেলন ছেড়ে ওয়াশিংটনে ফিরে গেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার এই আগাম প্রস্থান ঘিরে শুরু হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
বিমানবন্দরে ওঠার সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি।
বিবিসির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সাংবাদিক জেমস ল্যান্ডেল তার প্রতিবেদনে লিখেছেন, ট্রাম্প কেন এত তড়িঘড়ি করে সম্মেলন ত্যাগ করলেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সময়ের আগেই সম্মেলন ছেড়েছেন।
তবে ট্রাম্প নিজে বলেছেন, “খুব গুরুত্বপূর্ণ” কারণে তাকে ফিরতে হচ্ছে। তিনি বিস্তারিত কিছু না জানালেও এটিকে ‘বড় কিছু’ বা “বিগ স্টাফ” বলে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি ইরানের সাধারণ নাগরিকদের দ্রুত তেহরান ছাড়ার আহ্বান জানান। তার এই বার্তা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোচনা এবং উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র কি ইসরাইলের সাথে একযোগে ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে অংশ নেবে—এ প্রশ্ন এখন অনেকের মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগনের একাধিক কর্মকর্তা এই সম্ভাবনাকে অস্বীকার করেছেন।
এই প্রেক্ষাপটে, ট্রাম্পের কানাডা ত্যাগের সময় জি-৭ নেতারা একটি যৌথ বিবৃতি দেন। তবে সেখানে যুদ্ধবিরতির কোনো আহ্বান ছিল না।
বিবৃতিতে বলা হয়, “ইসরাইলের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে”, এবং ইরানকে “মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা ও সন্ত্রাসবাদের উৎস” হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এছাড়াও, ইরান যেন পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে ব্যাপারে আন্তর্জাতিক সমাজকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।





































