মার্চ টু যমুনা
Advertisements

বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বাড়িভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা বৃদ্ধি এবং কর্মচারীদের উৎসব ভাতা বাড়ানোর দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে ঘোষিত ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। এর পরিবর্তে শিক্ষকরা শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে লাগাতার অনশন এবং রোববার (২০ অক্টোবর) থেকে লাগাতার কর্মবিরতির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজধানীতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ‘শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট’ এ ঘোষণা দেয়।

এর আগে সংগঠনের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,

“শিক্ষা উপদেষ্টা আমাদের চাকরি থেকে টার্মিনেট করে দেন, আমরা সিএনজি চালাবো, কৃষিকাজ করবো—কিন্তু আপনার ভিক্ষার চাকরি করবো না। ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া, ১,৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ৭৫ শতাংশ উৎসব ভাতা ছাড়া কোনোভাবেই আন্দোলন থেকে সরে আসা হবে না।”

তিনি আরও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, “প্রয়োজনে শহীদ মিনার থেকে জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের প্রত্যেক নেতার লাশ যাবে, কিন্তু আমরা দাবির বিষয়ে আপস করবো না।”

উল্লেখ্য, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সরকার এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বাড়িভাড়া ভাতা ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করে। কিন্তু ৫ অক্টোবর এই ঘোষণা প্রকাশ্যে এলে শিক্ষকরা তা অপর্যাপ্ত বলে প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নামেন।

পরবর্তীতে ৬ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্তদের বাড়িভাড়া ভাতা অন্তত দুই হাজার থেকে তিন হাজার টাকা করার প্রস্তাব অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠায়।

বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতীয় বেতনস্কেল অনুযায়ী বেতন পান। তারা মাসে ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং ১,৫০০ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা পান (আগে ছিল ১,০০০ টাকা)। আগে বছরে দুটি উৎসবে মূল বেতনের ২৫ শতাংশ হারে উৎসব ভাতা পেতেন; তবে গত মে মাসে তা বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করা হয়েছে।

Advertisements