ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির নৌবাহিনীর সদস্যরা একটি মার্কিন ডুবোজাহাজ আটক করেছে বলে দাবি করেছেন বাহিনীটির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি। তিনি বলেছেন, ডুবোজাহাজটিতে উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে এবং এটি পরীক্ষা করে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ শুরু করা হবে।
ফার্স নিউজের রাজনৈতিক প্রতিবেদকের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্র ৪০ দিনের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সময় ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর কার্যক্রম তুলে ধরেন। এ সময় তিনি বলেন, ওই যুদ্ধে সামরিক ও প্রতিরক্ষা শিল্পে ব্যবহৃত যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির সরঞ্জামও ইরানের নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে প্রমাণিত হয়েছে।
মোহেব্বি বলেন, এর একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধবিমানে উড়োজাহাজের কাঠামোর সংকর ধাতু, রাডার এড়ানোর সক্ষমতা, উচ্চতায় উড্ডয়ন এবং অস্ত্র বহনের ক্ষমতাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর মহাকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনী এ ধরনের একটি যুদ্ধবিমানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
আইআরজিসির মুখপাত্র বলেন, নৌবাহিনীর সদস্যদের হাতে আটক মার্কিন ডুবোজাহাজটিতেও উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। ডুবোজাহাজটি ইরানের হাতে আসার পর এর প্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ শুরু করা হবে।
ইরানের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরে মোহেব্বি আরও বলেন, বর্তমানে তাদের কাছে বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান, সহায়ক বিমান, পরিবহন বিমান এবং গোয়েন্দা ও নজরদারি বিমান রয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ডুবোজাহাজ ও চালকবিহীন নৌযানও রয়েছে বলে জানান তিনি।
তবে মার্কিন ডুবোজাহাজ আটকের দাবি এবং এটির রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিং শুরুর বিষয়ে সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির মুখপাত্রের বক্তব্যই উদ্ধৃত হয়েছে।





































