খেলায় নেমেই আইন ভাঙলেন আমির
Advertisements

বলে লালা লাগানোটা অপরাধ নয় । বলের সিম ঠিক রাখতে আর ঔজ্জ্বল্য ধরে রেখে বাড়তি একটু সুবিধা আদায় করায় চেষ্টাটা আইনসিদ্ধ। এ কারণে এত দিন বিভিন্ন দলে কিছু নির্দিষ্ট খেলোয়াড়কে বাড়তি দায়িত্ব দিয়েই দেওয়া হতো বল উজ্জ্বল করার জন্য। ঘাম ও লালার সংমিশ্রণ আর পোশাকের নানা প্রান্ত ব্যবহার করে বল চকচকে করাটাও ক্রিকেটের নিয়মিত দৃশ্য।

তবে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বেশকিছু নিয়মে বদল এনেছে আইসিসি। করোনা পরবর্তী মাঠে নেমেই সেই নিয়ম ভাঙলেন পাকিস্তান পেসার মোহাম্মদ আমির। তবে প্রথমবার ভুল করায় মাফও পেয়েছেন তিনি।

https://twitter.com/smk_77/status/1299419544184913923?s=20

টেস্ট সিরিজ শেষে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) থেকে স্বাগতিক ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শুরু হয়েছে সফরকারী পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়া প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাঠে নেমেই বল হাতে আইসিসির নিয়ম ভাঙেন মোহাম্মদ আমির।

বোলিং করার সময় বলে লালা লাগিয়েছেন আমির। তবে আমিরের এমন কাণ্ড চোখে পড়েনি ম্যাচের আম্পায়ার ও রেফারিদের। ফলে কোন শাস্তির মুখে পড়তে হয়নি তাকে।

তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমিরের এমন কাণ্ড ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, নতুন বলে থুথু লাগাচ্ছেন আমির। হাত মুখে নিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে সেটা আবার বলে ঘষছেন তিনি। বেশ কয়েকবার এমন নিয়ম ভঙ করেছেন আমির।

চলতি বছরের জুনে বলে মুখে লালা মেশানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আইসিসি। প্রাণঘাতি করোনাকালে ক্রিকেট বলে লালা মেশানোর ব্যাপারে আইসিসি নিয়ম করেছে, কোন দল বলে লালা ব্যবহার করলে অন-ফিল্ড আম্পায়াররা দুইবার সতর্ক করবেন।

তবে একই ম্যাচে একই ঘটনা তৃতীয়বার ঘটলে বিপক্ষ দলকে ৫ রান দেওয়া হবে। এছাড়া বলে লালা লাগানোর পর সেটাকে জীবাণুমুক্ত না করে খেলা শুরু করা যাবে না।

নতুন নিয়মের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ-ইংল্যান্ডের টেস্ট সিরিজে বলে লালা লাগিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন স্বাগতিকদের ক্রিকেটার ডম সিবলি। পরে ইংল্যান্ড দল আম্পায়ারকে সেটি অবগত করে। এ জন্য দুঃখপ্রকাশও করেন সিবলি এবং পরে বল জীবাণুমুক্ত করা হয়।

এদিকে ইংল্যান্ডের মাটিতেই ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিং করে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছিলেন আমির। এবার হয়তো মনের ভুলেই ভুল করেছিলেন তিনি।

Advertisements