এবি পার্টির বিক্ষোভ
Advertisements

‘প্রত্যেক স্বৈরাচারের চরিত্র একই। জনগণের দাবি ও অধিকারের কণ্ঠ স্তব্ধ করে দেওয়ার জন্য তারা সবসময় দলীয় লাঠিয়াল, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও পুলিশ দিয়ে নিষ্ঠুর নৃশংসতা চালায়। একইভাবে ফ্যাসিবাদী ডামি সরকার গতকাল (সোমবার) রাত থেকে ছাত্রলীগকে লেলিয়ে দিয়ে সারা দেশে ছাত্রছাত্রীদের ওপর পাশবিক নির্যাতন ও হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে।’

মঙ্গলবার আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ থেকে এসব কথা বলেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিকাল ৪টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দেয় এবি পার্টি।

বিক্ষোভ মিছিল পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য দেন এবি পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সুপ্রিমকোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম ও বিএম নাজমুল হক, সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু ও যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ।

সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বিজয়নগর, কাকরাইল, পল্টন, প্রেস ক্লাবসহ রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিলটি বিজয়নগর পৌঁছালে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএমের সভাপতি ববি হাজ্জাজ ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ তাদের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভুইয়া, দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, প্রচার সম্পাদক আনোয়ার সাদাত টুটুল, সিনিয়র সহকারী সদস্যসচিব এবিএম খালিদ হাসান, মহানগর উত্তরের আহবায়ক আলতাফ হোসাইন, যুবপার্টির আহ্বায়ক শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, কেন্দ্রীয় সহকারী সদস্যসচিব শাহ আব্দুর রহমান ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহ্বায়ক আনোয়ার ফারুক, গাজী নাসির, মহানগর উত্তরের যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ কবির, যুবপার্টির সদস্যসচিব হাদিউজ্জামান খোকন, এবি পার্টি লইয়ার্সের দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলী নাসের খান, ছাত্রপক্ষের আহ্বায়ক মোহাম্মদ প্রিন্স, মহানগর উত্তরের সদস্যসচিব সেলিম খান, নারী নেত্রী আমেনা বেগম, রুনা হোসাইন, দক্ষিণের যুগ্ম সদস্যসচিব সফিউল বাসার, আহমেদ বারকাজ নাসির, কেফায়েত হোসেন তানভীর, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল হালিম নান্নুসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা।

Advertisements