পালিয়ে বিয়ের ২৫ দিন পর লাশ হলো টঙ্গীর সুমাইয়া
Advertisements

গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে একই পরিবারের পাঁচজনকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) সকালে একটি ভাড়া বাসা থেকে মা, তার তিন সন্তান ও ছোট ভাইয়ের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনার পর নিহত নারীর স্বামী পলাতক রয়েছেন।

নিহতরা হলেন—শারমিন (৩০), তার বড় মেয়ে মীম (১৫), মেজ মেয়ে মারিয়া (৮), ছোট ছেলে ফরিদ (২) এবং শারমিনের ছোট ভাই রসুল মিয়া (২২)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার সদর ইউনিয়নের রাউতকোনা গ্রামের প্রবাসী মনির হোসেনের বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকতেন ফোরকান মিয়া। তিনি পেশায় প্রাইভেটকার চালক। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রায় এক বছর ধরে সেখানে বসবাস করছিলেন।

শনিবার সকালে ঘরের ভেতরে রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহগুলো উদ্ধার করে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিন শিশুর মরদেহ ঘরের মেঝেতে পাশাপাশি পড়ে ছিল। শারমিনের ভাই রসুল মিয়ার মরদেহ পাওয়া যায় বিছানার ওপর। আর শারমিনের হাত-মুখ বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি জানালার পাশে পড়ে ছিল।

পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর থেকেই স্বামী ফোরকান মিয়া পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম অভিযান শুরু করেছে।

গাজীপুর জেলা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

Advertisements