আন্ডারওয়ার্ল্ডের দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন ওরফে ফতেহ আলী এবং মোল্লা মাসুদ ওরফে আবু রাসেলকে গ্রেপ্তারের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)। মঙ্গলবার (২৭ মে) বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আইএসপিআরের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সামি-উদ-দ্দৌলা-চৌধুরী।
তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোরে সেনাবাহিনীর একটি দল কুষ্টিয়া ও রাজধানীর হাতিরঝিল এলাকায় সমন্বিত অভিযান চালিয়ে সুব্রত বাইন ও মোল্লা মাসুদসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়া অন্য দুইজন হচ্ছেন শ্যুটার আরাফাত ও ড্রাইভার শরিফ।
আইএসপিআর জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, চাঁদাবাজি ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। এরা সবাই ‘সেভেন স্টার’ চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং সুব্রত ও মাসুদ দেশের ‘তালিকাভুক্ত ২৩ জন শীর্ষ সন্ত্রাসী’র অন্যতম।
অভিযানে সেনাসদর, সামরিক অপারেশন পরিদপ্তর, ৫৫ পদাতিক ডিভিশন, ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ার ব্রিগেড, ৭১ মেকানাইজড ব্রিগেড ও জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) যৌথভাবে অংশ নেয়।
অপারেশনটি পরিকল্পিতভাবে পরিচালনা করা হয় যাতে কোনো ধরনের সংঘর্ষ বা ক্ষয়ক্ষতি না ঘটে। গ্রেপ্তারের সময় তাদের কাছ থেকে পাঁচটি বিদেশি পিস্তল, ১০টি ম্যাগাজিন, ৫৩ রাউন্ড গুলি এবং একটি স্যাটেলাইট ফোন উদ্ধার করা হয়।
আইএসপিআরের পরিচালক বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করছে। যেকোনো ধরনের সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড বা সন্ত্রাসবাদ-সম্পর্কিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ সেনা ক্যাম্প বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশনায় দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জনগণের জানমালের সুরক্ষায় সেনাবাহিনী সর্বদা প্রস্তুত এবং প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।




































