মাথা গোঁজার ঠাঁই পেল সত্তরোর্ধ্ব বাছেরুন নেছা

বয়স ৭০ বছর পার হলেও বিয়ে হয়নি বাছেরুন নেছার। দারিদ্রতা অসুস্থতা নিয়ে জীবন সায়াহ্নে একাকীত্বতা এখন তার জীবনের একমাত্র সঙ্গী, অবশেষে মাথা গোঁজার ঠাঁই হলো।

ফারহানা ও ফাহিম কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সাদ্দাম হোসেন অনন্ত অসহায় ঘরহীন বাছেরুন নেছার ঘরটি তৈরি করতে সহযোগিতা করেন।

গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার ২ নং গাজীপুর ইউনিয়নের নিজমাওনা গ্রামের ৯নং ওয়ার্ডের বাছাতন নেছার পিতা মৃত বাছের আলী মাতা মমিরনের মেয়ে।অন্যের বাড়িতে বসবাস করেন বাছেরুন নেছা। বৃদ্ধ বয়সে দেখার মত কেউ নেই ,স্থানীয় জনপ্রতিনিধির দ্বারে দ্বারে ঘুরেও জোটেনি সরকারি সহায়তা।

মা বাবা মারা যাওয়ার পর বর্তমানে পৃথিবীতে আপন বলতে কেউ নেই বাছেরুন নেছার। মানসিকভাবে একটু সমস্যা থাকার কারণে নির্মমতার জীবন-যাপন করছেন ।মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই। বৃদ্ধ বয়সে খেয়ে না খেয়ে কোনরকম জীবন যাপন করছেন।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ,ছোট্ট একটি ছাপরা ঘরে রোদ বৃষ্টি ঝড়ের সাথে যুদ্ধ করে কোনরকমে জীবনটাকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। যেখানে সন্ধ্যা হলেই অন্ধকার নামে আধুনিক সভ্যতার ছোঁয়া মেলেনি ,কোপি বাতির নিয়ন আলোয় ধুকে ধুকে মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছে বাছেরুন নেছা।
এমন তথ্য গণমাধ্যমে প্রকাশ হলে সাদ্দাম হোসেন অনন্ত খোজঁ নিয়ে টিনসেট ঘর, পাকা মেঝে ,ঘরের আসবাবপত্রসহ খাবারের জন্য নিত্য প্রয়োজনীয় চাল ডাল সহ এক মাসের খাবারের ব্যবস্থা করেন।

এ বিষয়ে সাদ্দাম হোসেন অনন্ত বলেন, তথ্য প্রকাশ হওয়ার পর নিজ সামর্থ অনুযায়ী বাছেরুন নেছার ঘরসহ সকল কিছুর দায়িত্বও নিয়েছি।বৃদ্ধ বয়সের সময়টুকু যেন ভালো ভাবে কাটাতে পারে ভবিষ্যতেও খোঁজ নিবো। অসহায় বাছেরুন নেছার ঘরবাড়ী হওয়ায় এলাকাবাসীর লোকজন সন্তুষ্ট প্রকাশ করে সাদ্দাম হোসেন অনন্তের জন্য দোয়া করেন।

Advertisements